Prof. Dr. Subhagata Choudhury

When Breath Becomes Air by Paul Kalanithi (Review)

When Breath Becomes Air by Paul Kalanithi (Review)

When Breath Becomes Air বইটির লেখক পল কালানিথি (Paul Kalanithi) একজন নিউরো সার্জন আর লেখক। বহুমুখি প্রতিভা এই মানুষটির আরিজনাতে বেড়ে উঠা, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে গ্রাজুয়েশন, ইংরেজিতে বিএ আর এমএ, হিউমান বায়োলজিতে বিএ আর ইতিহাসে এমফিল, আর ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে ফিলোসফি অব সায়েন্স এন্ড মেডিসিন, এরপর ইয়াল স্কুল অব মেডিসিনে গ্রাজুয়েশন আবার ফিরে আসা স্ট্যানফোর্ডে। নিউরোলজিক্যাল সার্জারিতে ট্রেইনিং সম্পূর্ণ করা এর পর পোষ্ট ডক নিউরোসায়েন্সে। আমেরিকার নিউরোলজিক্যাল সার্জারির সর্বোচ্চ পুরস্কার আর তার মৃত্যু ২০১৫ সালে মার্চে, রেখে গেলেন তার প্রিয়তমা স্ত্রী লুসি আর কন্যা এলিজাবেথ আকাডিয়া।

When Breath Becomes Air by Paul Kalanithi (Review).jpg wife of author lucy

আমরা বিষণ্ণ হই এমন শুনে যখন এই প্রতিভাবান ব্যক্তি নিউরোসার্জারিতে প্রায় এক যুগ শেষ করে ফেলেছেন এমন সময় এল সেই দুঃসংবাদ তার হয়েছে ফুসফুসের ক্যান্সার, চতুর্থ পর্যায় পেরিয়েছে। এই সেদিন তিনি ছিলেন মুমূর্ষু রোগীদের বাঁচাবার প্রচেষ্টারত ডাক্তার আজ তিনি নিজে লড়াই করছেন নিজে বাঁচার জন্য। পল কালানিথির বই পড়তে গিয়ে থামতে হয় বার বার কী তিনি বলতে চাইছেন তা বোঝার জন্য।

When Breath Becomes Air by Paul Kalanithi

তার বইয়ের ফোরওয়ার্ড লিখেছেন সঙ্ক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ আব্রাহাম ভেরগেস। বলেন বইটির আমি ফোরওয়ার্ড না লিখে আফটার ওয়ার্ড লেখা যুক্তিযুক্ত হত, শুরুতে নয়ত শেষ করে তিনি চিনতে পারলেন পলকে মাত্র তার মৃত্যুর পর। যখন সে নেই তখন ঘনিষ্ঠভাবে চিনলেন তাকে। নিজের মরনশীলতা নিয়ে যখন তিনি ভাবেন তখন নিজের মরনশীলতা নিয়ে ভাবার তাগিদ আসে যদিও সে ভাবনা তার মত হয় না।

Being Mortal নামে বেস্ট সেলার বইয়ের লেখক অতুল গোয়ান্দে বলেন, ডা. কালানিথির স্মৃতিকথা আমাদেরকে জানায় যে মৃত্যু পথযাত্রীরা আমাদেরকে জীবন সম্বন্ধে অনেক কিছুই বলতে পারেন।”

আন পাচেট বলেন, আমরা অনেকেই তাকে দেখিনি চিনি না কিন্তু আমরা এই বই পড়ে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশের সাথে সাথে তার জীবনের কথা জেনে এর সুফল পাব।

সাহিত্যে ডিগ্রিধারি আবার ইতিহাসের ডিগ্রি এদিকে মেডিসিন নিউরসার্জারি লেখা পড়া তার প্যাশন; এক বহু মাত্রিক গুনের অধিকারী পল।

পল দেখলেন সিটি স্ক্যান ইমেজ স্পষ্ট: ফুস্ফুস অসংখ্য টিউমারে জট পাকানো, শিরদাঁড়া বিকৃত, লিভারের পূর্ণ লোব অদৃশ্য। ক্যান্সার ব্যাপক বিস্তৃত। পল একজন নিউরোলজিক্যাল রেসিডেন্ট, প্রবেশ করছেন, শেষ বছরে আছেন। গত ছয় বছর এরকম অনেক স্ক্যান দেখেছেন রোগীর, এখন তিনি নিজেই রোগী। স্ত্রী লুসি জিজ্ঞেস করলেন তুমি মনে কর অন্য কিছু হতে পারে? না, তিনি বললেন। এরপর তারা দুজনে খুব শক্ত করে পরস্পর পেচিয়ে থাকলেন, তরুণ প্রেমের বন্ধন। ৬ মাস আগে ওজন হারাচ্ছিলেন দ্রুত আর ভয়ঙ্কর ব্যাক পেইন। এরপর অনেক কথা। পল মারা গেলেন ২০১৫, মার্চ ৯। পরিবারের সবাই ছিলেন। এর মধ্যে কী হল, ঘটল, কী দর্শন ছিল এর মধ্যে তা নিজেরা উপভোগ করা যায় ।
তবে এই বই অনেক শক্তি যোগাবে যখন কেউ খুব দুঃসময়ে জীবনের প্রতি ভালবাসা হারাবে তখন।

একবার যখন এমন দুশ্চিকিৎস্য রোগের কবলে আর আমার এ থেকে বেরিয়ে আসা আমার জীবনের মিরাকল। অনেকে আমার এমন অলৌলিক চিন্তাকে বিজ্ঞান সম্মত মনে করবেন না কিন্তু ঘটনা পরম্পরা আমার স্বাভাবিক বিচার বুদ্ধিতে উপলব্ধি করতে পারিনি, হিসাবও মিলাতে পারিনি। বিজ্ঞানের দিগন্ত অনেক প্রসারিত হয়তো। আমাদের মন সব ব্যাখ্যা করতে পারে না সেই বুদ্ধি যা ধারন করি।

Leave a Reply